জেলা সম্পর্কে

রাজন্য ত্রিপুরা মানিক্য বংশের রাজাদের দ্বারা শাসিত ছিল। ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে ত্রিপুরা ছিল একটি স্বাধীন করদ রাজ্য। ১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরা অন্তর্ভুক্তি চুক্তি অনুসারে এই রাজ্য সদ্যস্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারতীয় অধিরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ শাসনকালে এই রাজ্য পার্বত্য ত্রিপুরা (Hill Tippera) নামে পরিচিতি ছিল। ১৪শ শতকে রচিত রাজমালাতে ত্রিপুরার উল্লেখ পাওয়া গেছে। এটি ছিল ত্রিপুরার মাণিক্য রাজবংশের কাহিনী। কথিত আছে ত্রিপুরা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পূর্বাবধি মাণিক্য রাজবংশের ১৮৪জন রাজা এই অঞ্চলটি ধারাবাহিকভাবে শাসন করেছেন।

পয়লা সেপ্টেম্বর ১৯৭০ এ ত্রিপুরা তিনটি জেলায় বিভক্ত হয়।উত্তর ত্রিপুরা জেলা কৈলাশহরের মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে এবং আংশিকভাবে কুমারঘাটে কাজ শুরু করে, পরে পুরো কার্যালয়কে কৈলাসহরে স্থানান্তর করা হয়। ১৩ নভেম্বর ১৯৮৭ উত্তর জেলা কলেক্টরেট অফিস কৈলাশহরের গৌরনগরে নবনির্মিত কমপ্লেক্স এ স্থানান্তরিত হয়।

আরও পড়ুন
শ্রী রবীন্দ্র রিয়াং, জেলা শাসক ও সমাহর্তা
শ্রী রবীন্দ্র রিয়াং, আই এ এস জেলা শাসক ও সমাহর্তা

এক নজরে জেলা

ঊনকোটি জেলা মানচিত্র

হেল্পলাইন নম্বরগুলি

  • শিশুর হেল্পলাইন -
    1098
  • মহিলা হেল্পলাইন -
    1091
  • অপরাধ রুদ্ধকারী -
    100
  • উদ্ধার এবং ত্রাণ কমিশনার - 1070

ফটো সংগ্রহশালা